Posts

Showing posts from 2010

kajolkhan blog: বেকার ছেলে

kajolkhan blog: বেকার ছেলে বাংলা কবিতা পড়ুন, দেশীয় সংস্কৃতি সমৃদ্ধ করুন।

বৈশাখে মোবাইল চুরি

পহেলা বৈশাখ ১৪১৭ সাল: সকাল বেলা একটু আগেই ঘুম থেকে জেগে উঠলাম।তখনো সবাই ঘুমিয়ে আছে। নতুন বছরের প্রথম দিনের সকাল,ভাবতেই মনটা এক অজানা আনন্দে ভরে উঠলো।পিছনের জীর্নতা ছেড়ে নতুন বছরে জীবনটাকে নতুন করে সাজানোর একটা বাসনা মনের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছে।সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুললাম এবং বাহিরে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিতে লাগলাম।সবার আগেই নাস্তা করতে বসলাম,নাস্তা বলতে পান্তা-ইলিশ।ভাবি মধ্যরাতে গরম ভাত রেধে ওগুলো তে পানি দিয়ে রেখেছে।ঐতিহ্য বলে কথা,বছরে মাত্র একটা দিন ধনী- গরির সবাই পান্তা নিয়ে কারাকারি। ছোটবোনটাকে ডেকে বললাম তারাতারি খেতে আয়, পান্তা তো পচে যাবে।যাহোক জনির সাথে আগেই ফোনে কথা হয়েছে যে সারাদিন একসাথে ঘুরবো।যথাসময়ে বাসা থেকে বের হলাম।ভিক্টোরিয়া পার্ক এসে দেখি প্রতিক হাসানের কনসার্ট হচ্ছে।গান শোনার মায়া ত্যাগ করে আগে পল্টন যেতে হবে,ওখানে জনি অপেক্ষা করছে।যাহোক গিয়ে জনিকে খুজে বের করলাম।ওকে বললাম নাস্তা করেছিস।ও বললো আরে বেটা জানিস না, নাস্তা করতে গিয়ে এক মজার ঘটনা।আমি একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠেছি, উঠে দেখি সবাই ঘুরতে চলে গেছে।আমি রেডি হয়ে নাস্তা করবো এখন কিছু খুজ পাচ্ছি না। ফ্রিজ খুলে দেখি ইলিশ ...

মোবাইল কেনার চিপস পর্ব-১

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেসব প্রয়োজনীয় বস্তু রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল অন্যতম। মোবাইলের সূচনা শুধুমাত্র কথাবলা দিয়ে শুরু হলেও এখন এর ব্যবহারের পরিধি অনেক বেড়েছে।SMS পাঠানো, ছবিতোলা,গানশুনা, গেমখেলা,রেডিও শুনা, ভিডিও করা ও দেখা, টিভিদেখা ও ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং চ্যাটিংয়ের মতো অসাধারন কিছু সুবিধা এখন মোবাইল ফোনেই পাওয়া যায়। যাদের মোবাইল নেই তারা অনেকেই নতুন মোবাইল কেনার চিন্তা করছেন। অনেকে আবার নিজের পুরাতন মডেলের মোবাইল ফোনটি বাদ দিয়ে নতুন মডেলের একটি মোবাইল সেট কিনার কথা ভাবছেন। আপনি যদি মোবাইল সেট সম্পর্কে জানেন তাহলে তো বেশ ভালোই, আর যদি কিছু একে বারেই না জানেন তবে এ প্রতিবেদনটি আপনার বেশ কাজে আসবে বলে মনে করছি। বর্তমানে বাজারে অনেক কোম্পানির মোবাইল সেট পাওয়া যায়। তবে নকিয়া মোবাইলের ব্যবহারকারীর সংখ্যাই বেশী। আপনি মোবাইল ফোন কেনার আগে ভেবে নিন কি কি ফাংশন সমৃদ্ধ মোবাইল আপনি কিনতে চান। যদি স্রেফ কথা বলতে চান, তবে অনেক দাম দিয়ে বেশী ফাংশন সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন না কেনাই শ্রেয়।আর যদি অনেক সুবিধা সমৃদ্ধ দামি মোবাইল কিনতে চান, তবে জেনে নিন মোবাইলের বিভিন্ন সুবিধা সমূহ। মেসেজিং এর ক্ষেত্রে SMS,...

কিছু অসহায় মানুষের জীবন চিত্র

বাংলাদেশের নদী বন্দরগুলোর মাঝে ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট অন্যতম। বুড়িগঙ্গা নদীর বুকে এ বন্দর অবস্থিত।এ নদী বন্দরকে ঢাকার প্রবেশদ্বারও বলা হয়। প্রতিদিন কয়েক'শ যাত্রী ও মালবাহী লঞ্চ এ নদী বন্দর হতে দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।হাযার হাযার মানুষ কর্মসংস্থান ও নানা কারনে লঞ্চযোগে ঢাকা এসেই এ বন্দরে অবতরন করেন। দিনের শেষে রাতের গভীরতা যতই বাড়তে থাকে, চারপাশ ততোই নীরব হতে থাকে। একসময় চারপাশে নেমে আসে অসীম নিরবতা। এ নদীবন্দরও এক সময় শান্ত হয়। যখন থাকেনা যাত্রী আসা- যাওয়ার ব্যস্ততা, যা নিজ চোঁখে না দেখলে বিশ্বাসই হতে চায় না। এখানে গভীর রাতের পরিবেশ একেবারেই ভিন্ন। কিছু টোকাই, ভিক্ষুক ও বাস্তুহারা মানুষের একমাত্র আবাসস্থল এই টার্মিনাল। সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে ওরা একটু বিশ্রামের বন্দোবস্ত করে এই টার্মিনালে। খাট,পালঙ্ক,লেপ, তোষক,চাদর,কিংবা বালিশ ছাড়াই এদের শোবার আয়োজন। কেউ একটি ইট মাথার নিচে দিয়ে, কেউবা শুধু মাটিতে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে। এদের কারো গায়ে ছেড়া শার্ট- কেউবা খালি গায়ে, কেউ ছেড়া কাথা গায়ে- কেউ আবার শীতে কাঁপে থরোথরো।ওদের নিদ্রামগ্ন নিস্পাপ চেহারার দিকে এক নজর তাকালে মন কেড়ে ...

এ কেমন জীবন আমার

যেই জীবনে নেই সুখের কোন দেখা প্রিয়জন দূরে চলে যায় করে একা, যার বুক জুড়ে ব্যাথার পাহার- বলো এ কেমন জীবন আমার। দু চোঁখে বয়ে যার ব্যাথার নদী সঙ্গী যার নিরাশা নিরবধি, এ মনে আমার খেলাঘর দুঃখ ব্যাথার- বলো এ কেমন জীবন আমার। যার আকাশে উঠে না চঁন্দ্র তাঁরা হৃদয়টা যার দূর সাহারা, ছন্দ হারা হয় প্রেমের নীল কবিতার- বলো এ কেমন জীবন আমার।

ব্যার্থ প্রেমের গল্প পার্ট-১

সতেরো জানুয়ারী দুই হাজার নয় ইং সকাল নয়টা সতেরো মিনিট চল্লিশ সেকেন্ড মোবাইলটা বেজে উঠল,দোকানে এসে বসেছি মাত্র এমন সময় অপরিচিত নাম্বারের ফোন বেশ বিরক্তিকরই মনে হচ্ছিল। মনে হওয়ারও কারন আছে এ পরিবেশে আমি ছিলাম একদম নতুন।মাত্র তিনদিন হয় এ দোকানে এসেছি।যাহোক কলটা রিসিভ করে সালাম দিলাম, অপর প্রান্ত থেকে একটা সুরেলী মেয়ে কন্ঠে সালামের উত্তর দিল।মনেহল কন্ঠটা আমার চীর চেনা কিন্তু আচ করতে পারলাম না কার। তুই কেমন আছিস? জানতে চাইলো।একটা অপরিচিত মেয়ে তুই বলে সম্ভোদন কেমন যেন মনে হল।আমার পরিবারের মানুষ আর বন্ধুবান্ধব ছাড়াতো কেউ তুই বলে ডাকে না।দ্বিধা দন্দের মাঝে পড়ে গেলাম এবং উত্তর দিলাম ভাল।জানতে চাইলাম আপনি কে? রহস্যময়ী তার পরিচয় দিতে চাইলেন না।দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা থাকায় কারনে জোর দিয়ে কিছু বলতেও পারলাম না। সে যে আমার পূর্ব পরিচিত কেউ এটা স্পষ্ট বুঝতে পারলাম এবং এ ও বুঝতে পারলাম সে মজা করছে। তবে চেষ্টা করলাম তার পরিচয় জানার।কিছুক্ষন কথা বলে পরিচয় উদ্ধার করতে না পেরে ফোন রেখে দিলাম।মনে মনে ভাবলাম যে মজা করতে চায় তাকে মজা করতে দেয়া যাক, দেখিনা পরে কি হয়।তবে মন থেকে ব্যাপারটা কিছুতেই সরাতে পারলাম ...

প্রেমের অনাহারী

ভালবাসার উদোর পিন্ডি পরলো যখন আমার ঘাড়ে, সুন্দরী বালা দেখিলে তাকিয়ে দেখি চোখের আড়ে। কারো চোখে রাখলে চোখ মন যে আমার হয় উদাসী, অনুরাগে তখন আমার হৃদয় মাঝে বাজায় বাশি। ইচ্ছে করে ডাকতে কাছে আমি কি তা কইতে পারি তোমার কাছে প্রেমের সাগর আমি প্রেমে অনাহারী।

ভালবাসার পাঠশালা

নিতাই বাবুর পাঠশালাতে- ছাত্র ছিলাম যখন আমি, একমাত্র ললনা তার- ভীষন ছিল দুষ্টোমি। প্রথম তারে দেখার পরে- আমার হৃদয় হয় কুপোকাত, গুরুর বচন লয় না মনে- শিখতে রাজি কোন ধারাপাত। সুহাসিনী নাম দিয়েছি- তার মিষ্টি হাসির বদৌলতে, আমার ভালবাসার হাতে খড়ি- সর্বপ্রথম তাহার হাতে। মন জানে না কিসের টানে- একটু আগে পড়তে আসা, মহাশয়ে মহাখুশি- আময় নিয়ে তার অনেক আশা। লক্ষ্যভ্রষ্ট পথিক আমি- ভুলেছি পথ প্রনয় ছলে, সব হারিয়ে এখন আমি- ভাসি শুধু নয়ন জলে। রচনাকাল: ০১/০১/২০০৮ইং

গুপ্তচর

Image
অষ্ট প্রহর যেই দুইজনা রাখে তোর হিসাব, সর্ব কাজে রাখে খবর আকে পূন্য পাপের দাগ; রাখলি না তুই নিজের খবর, তোর পিছে লাগেনো গুপ্তচর। কার ধন না বলিয়া তুমি করছো ব্যবহার, দিবানিশি দুই ফেরেস্তা হিসাব রাখে তার, বিনাদোষে পরের গালে মারলা কেন চর; তোর পিছে লাগানো গুপ্তচর।

মানুষ বড় স্বার্থপর

এ মনে কেন আসে বেদনার ঝড়- ভেঙ্গে দিয়ে যায় জীবনের খেলাঘর, দুঃসময় এলে সবাই দূরে সরে যায়- জীবনে তবুও প্রেম আনর; মানুষ বড় স্বার্থপর। দুচোখে কেন নামে অথৈ শ্রাবনের ধারা- মন পুড়ে চৈচির বিধুর সাহারা, প্রেমে যদি না থাকে ছলনার ঢেউ- নিরবে লুকিয়ে কাদিত কি কেউ, আপন মানুষ কেন হয়ে যায় পর; মানুষ বড় স্বার্থপর। রচনাকাল: ২৫/১০/২০০৯ইং

কোন হায়েনার দল

স্বাধীন করা স্বদেশটারে খাচ্ছে ওরা লুটেপুটে, রুখতে হবে ওদেরে আজ একসাথে সবাই চল; কোন হায়েনার দলরে তোরা, কোন হায়েনার দল। দূর্নিতি আর ঘুষের জোরে ওরা ঘাড় পাকিয়ে আসছে তেড়ে, ওদের হিংস্র থাবার করল হতে বাচতে হলে বল; কোন হায়েনার দলরে তোরা, কোন হায়েনার দল। এ দেশটারে শোষন করে কালো টাকার পাহার গড়ে ছিন্নমূল করতে ওদের জ্বালো দাবানল; কোন হায়েনার দলরে তোরা, কোন হায়েনার দল। রচনাকাল : ৩১/১২/২০০৭ইং

অচেনা মানবীর মায়াবী আহবান

সকাল বেলা ঘুমটার বারোটা বাজিয়ে দিয়ে মোবাইলটা বেজে উঠলো। রিসিভ করার আগেই কেটে গেল, তাই পুনরায় ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।কিছুক্ষন পর আবারো বেজে উঠলো কিন্তু একটু রিং হতেই থেমে গেল। একটা অপরিচিত বাংলালিংক নাম্বার থেকে কে যেন বারবার মিসকল দিচ্ছে। তৃতীয় বার বেজে উঠার সাথে সাথে কলব্যাক করলাম। একটা মেয়ে রিসিভ করে কে জানতে চাইলো। কন্ঠটা নীলার, যার সাথে প্রায় ছয় মাস যাবত্ যোগাযোগ বন্ধ।কেন মিসকল দিচ্ছে জানতে চাইলাম? বললো আজ রাতে আমাকে স্বপ্নে দেখেছে। আমি বললাম তুমি তো এখনো আমাকে দেখোনি কি ভাবে বুঝলে যে আমি। ও বললো স্বপ্নে তুমি আমার সাথে দেখা করতে এসেছিলে।প্রায় বাইশ মিনিট আরো অনেক কথা হলো। ওকে আমি না দেখে মোবাইলে প্রায় চার বছর যাবত্ কথা বলছি।ও আমার কাছে মরিচিকার মতো, যদিও ওদের পরিবার সম্পর্কে মামির কাছে অনেক কিছু শুনেছি।ও বড় মামার ছাত্রী ছিল। সেই সুত্রেই মামার পরিবারের সাথে ওদের বেশ ভালো সম্পর্ক। মামা ওর বড় বোনের সাথে আমার মেঝ ভাইয়ের বিয়ের সমন্ধের কথা বলেন। আমার আম্মু এবং বড় ভাই ওদের বাড়িতে গিয়ে পাত্রীও দেখে আসে।আমার ইন্টার পরিক্ষা চলার কারনে আমি যেতে পারিনী। কি যেন কারনে শেষ পর্যন্ত বিয়েটা আর হয়নি।...

বিচারের বানী

হৃদয়ে দিয়েছ এ কোন যাতনা বিশ্ব মানবতারে, নিভৃতে কাদে বিচারের বানী কোর্ট কাচারীর দ্বারে। যাদের আছে ক্ষমতা বল শোষন তাদের অতি প্রবল কতো অসহায় বঞ্চিত হল তাদের নির্বিচারে; নিভৃতে কাদে বিচারের বানী কোর্ট কাচারীর দ্বারে। বীনা দোষে যারা হয় অপরাধী সাজা পায় অবিচারে, যারা ছড়ায় এ দুর্নিতির জাল ঘৃনাতারে বারেবারে। রচনাকাল: ১২/০৮/২০০৮ইং

মেঘনার ঘাট

Image
রচনাকাল: ১৬/০৬/২০০৮ ইং এই ঘাটে কবে তুমি করেছিলে স্নান সে কথা আজ সদূর অতীত হয়ে গেছে ম্লান, এরপর কতো জন করেছে স্নান এই ঘাটে কতো জল প্রবাহিত হয়েছে এই মেঘনার ধারায়, এসেছে কতো জোয়ার ভাটা কতো শ্যাওলা জমাট বেধেছে সেথায়, কতো হাস খসিয়েছে সাদা পালক, কতো মাঝি ভিরিয়েছে তরী- কতো যাত্রী হয়েছে পারাপার। কাদা মাটিতে সেথায় আজ নেই তোমার পদচিহ্নটুকু তবুও সেই ঘাট আজও আছে- তোমার স্মৃতিলয়ে রবে অনন্তকাল, শুধু তুমি নাই তবুও সে কথা ভুলতে পারি না।

জানবেনা কোনদিন

জানবেনা কেউ কোনদিন তোমারে ভাবিয়া কোন এক রাতে, নির্ঘুম কাটিয়েছি রজনী তারাদের সাথে কথা বলে আর রাতজাগা পাখিদের গান শুনে। জানবে না কেউ কোন কালে- হৃদয়ের প্রান্তরে তোমার জন্য বুনেছি স্বপ্নের বীজ যা অংকুরিত হবার আগেইবন্দি হলো দুঃস্বপ্নের বেরাজালে। বুঝবে না কেউ কোনদিন কতোটা কষ্ট জমা এ হৃদয়ে শুধুই তোমার বিরহে এক নিবির দহন চেপে বুকে থাকি আমি সদা হাসিমুখে। রচনাকাল: ২৩/০৪/২০০৮ইং

কিংকর্তব্যবিমূর

যখন আমার বোনের মুখ ঝলসে উঠে এসিড বিষে, কিংকর্তব্যবিমূর আমি হতবাক হই কীর্তিনাশে। নিবির দহন চেপে বুকে পুড়ি আমি দীর্ঘশ্বাসে, বুক ভাসিয়ে কাদি আমি বোনের এমন সর্বনাশে। অভাগা তুই বোনরে আমার ভাইটা যে তোর কোন অকর্মা, ভাইয়ের এমন নিরবতা হাসিমুখে করিস ক্ষমা। রচনাকাল: ১৫/০৩/২০০৮ইং

নিহত ফাগুন

যে ফাগুনে ফুটলো না ফুল- পলাশ, শিমুল আর বকুল, গাইলো না বনে কুহুরা ণব পল্লবে শোভিত হল না প্রকৃতি কৃষ্ণচুড়ার ডালে ডালে- লাগলো না যখন আগুন; সে তো নিহত ফাগুন। বনে বনে ঝি ঝি পোকাদের হলো না যখন জাগরন, পুষ্প কুঞ্জে যখনি হলো না অলিদের গুঞ্জরন, দখিনা হাওয়ার তানে- উদাস হলো না যখন কাশবন: সে তো নিহত ফাগুন। রচনাকাল: ১২/০৩/২০০৮ইং

চাষার ছেলে

বয়স ওদের স্কুলে যাবার হাতে থাকবে কলম বই, হাল চাষে যাচ্ছে ওরা কাধে নিয়ে লাঙ্গল-মই। ওদের এখন খেলার বয়স সম-বয়সীদের সাথে, ভাগ্য ওদের ফিরিয়ে রাখে দারিদ্রতার ফাদে। সবাই যখন স্কুলে যায় তখন যায় ওরা মাঠে প্রবঞ্চিত জীবন ওদের দুঃখ কষ্টে কাটে। রচনাকাল: ১৮/০১/২০০৮ইং

টোকাই

যেই শিশুটি প্রতি রাতে ক্ষুধার তীব্য যন্ত্রনাতে, কুকুর বিড়ালের সাথে খাবারের হয় অংশিদার; কেউ ওদেরে দেয়না খেতে পেট পুরে আহার। যেই শিশুটি প্রতি রাতে শূন্য আকাশ তলে, মানবেতর জীবন কাটায় দারিদ্রতার ছলে। পথই ওদের বসত বাড়ি টোকাই ওদের নাম, মানুষ বলে কেউ ওদেরে দেয়না একটু দাম। রচনাকাল: ১৬/০১/২০০৮ইং

এখন আমার

এখন আমার নেইতো সারা- বাড়ি ফিরে যাওয়ার, মন বেধেছি প্রনয় ডোরে- সঙ্গে দখিন হাওয়ার। এখন আমার স্বপ্ন দেখার- নেই কোন অবসর, আকাশের ঐ দূর নিলিমায়- বাধি আমার ঘর। এখন আমার নেইতো সাধ- তোমায় কাছে পাওয়ার, কন্ঠ আমার হয় না আকূল- তোমারই গান গাওয়ার। এখন আমার দুঃসময়ে- আমি বন্ধু হারা, আমায় এখন স্বপ্ন দেখায়- দূর আকাশের তারা। রচনাকাল: ০১/০২/২০০৮ইং

আমার জীবনে প্রেম

আমি চাই না আবার তুমি ফিরে আসো এই জীবনে, নতুন করে সাজাও আবার জীবনের এই খেলাঘর। এভাবেই তো বেশ আছি নেই কোন অভিলাষ, কষ্টের সাথে সাজাই বাসর জীবনের বারমাস। তুমি চলে গেছ সুখ নিয়ে এই বুক ভরা দুঃখ দিয়ে, তাই কষ্টের সাথে করি বাস; প্রেম আমার জীবনে এক অসীম সর্বনাশ। রচনাকাল: ১৭/০৪/২০০৬ইং

ফুলের মালা

ছিন্ন বসন গায়ে ওদের এলোমেলো চুল, পথের বাকে দাড়িয়ে ওরা বিক্রি করে ফুল। পথের মাঝে ট্রাফিক জামে ক্ষুদ্র আহবান তার- "একটি ফুলের মালা আপনি নিবেন নাকি স্যার।" ফুলের মালা বিক্রি করে ওদের আহার জুটে, ফুলের মতো কচি মুখে একটু হাসি ফোটে। একটু হাসি মুখে নিয়ে হাতে ফুলের মালা, দেখাতে পারে না ওরা ওদের বুকের জ্বালা। ফুলের মালা ঘিরে ওরা নতুন স্বপ্ন দেখে, সাজায় ওদের জীবন ওরা ফুলের সুবাস মেখে। ওরাও তো পারতো হতে তোমার আমার বোন, ওদের দুঃখে হয় কি সিক্ত আমাদের নয়ন কোন। রচনাকাল: ১৬/০১/২০০৮ইং

যাযাবর পাখি

যাযাবর পাখিদের নেই কোন বাসা- তাদের মনে কোন নেই প্রত্যাশা, শূন্য আকাশ তলে তারা করে বাস- নিয়তি ওদের সাথে করে পরিহাস। বিধাতা ওদের নিয়ে খেলে ছলাখেলা- দুঃখ কষ্টে ওদের কেটে যায় বেলা, ওদের মনে কতো কষ্ট ব্যাথা জ্বালা- সবাই ওদেরে করে অবহেলা। ওরাইতো বেশ আছে- কোন নেই পিছুটান, গাইতে পারে ওরা সাম্যের গান, ওদের মনের সাথে মন বাধে রাখি- আমিও ওদের মত যাযাবর পাখি। রচনাকাল: ৩১/০১/২০০৮ইং

পরকিয়া

Image
আজ নিশিথে এই তপোবনে তুমি নারী আমি নর, গোপন প্রনয়ে মেতেছি দুজনে নিরলে চাপা কন্ঠস্বর। অমৃত সুধায় হৃদয় ক্ষুধায়- তব অধরে মোর অধর, কিছুতে নাহি মিটে এ তৃষ্ণা তাই পরকিয়ায় ছাড়ি ঘর। ভেঙ্গে দিয়ে রাতের স্থবিরতা বলে যাই হৃদয়ের যত কথা, আজ এ নিশিথের বেলায়- লক্ষ তারার মেলায়; তব প্রেমের খেলায়, দিন চলে যায় স্রোতের মতো- নিবির অবহেলায়। রচনাকাল: ১১/১১/২০০৭ইং

যদি মনে করো

যদি মনে কর এদুটি চোখ হতে- হিমালয়ের কৈলাশ ছাড়া, তুমি বয়াবে যমুনার ধারা; তবে আরো বেশী ব্যাথা দাও, অঝড়ে আরো কাদাও। যদি মনে করো এতো কষ্ট করে- কেন সাগর দেখতে যাবে অতদূর, এই যে দেখ এদুটি চোখ- লোনা জলে ভরপুর। যদি ভেবে থাকো মরুভুমি কেমন- যেমন মরু সাহারা, তার চেয়ে বড় মরুভূমি- আমার এই বুকে ধরা। তুমি এক বার এসে দেখে যাও, আরো বেশী ব্যাথা দাও। রচনাকাল: 12:37am মঙ্গল 26/01/10

আমাদের দেবদাস

এলো চুল হাতে ফুল দাড়িয়ে পথের বাকে, দৃষ্টি আটা তার- কলেজ গেটের ফাকে, বাজলে ঘন্টা কলেজ হবে ছুটি- দাড়িয়ে থাকে রোজ খেয়ে পাউরুটি, রোদ ঝড় বৃষ্টিতে ক্লান্তি নেই তার- সূযোগ পেলে কথা হবে আবার। চাতকের মত পথ চেয়ে থাকা- এটাই তার রোজকার কাজ; বিসর্জন দিয়েছে তার লোক ভয় লাজ, পার্বতির পাবে দেখা- এই হল ইতিহাস, বৃষ্টিতে ভিজে তার হয়েছে সর্দিকাশ, প্রেম করে ভাল নেই- আমাদের দেবদাস। রচনাকাল: ০৬/০৬/২০০৮ইং

প্রেমের জয়গান

যে ফুল ফোটে বনে ছড়িয়ে সুবাস- অকূল ভ্রমরা তার হয় কৃতদাস; আহোরনে পুষ্প মধু, কূলবতী পরমা সুন্দরী যে নারী- যুবক উতলা তাকে করিতে বধু। মনের বাধনে বাধা পরে মন- গড়ে উঠে প্রেমের পুষ্প কানন, চোখের সীমায় যদি দৃষ্টি পরে বাধা- বৃন্দাবনে সে হতে চায় রাধা। যে জনার মনে প্রেমের আহবান- ছাড়তে পারে সে সব পিছুটান, মানে না কোন জাতি কূল মান; সকলের মুখে মুখে রয়- সেই প্রেমের জয়গন।

ভাববো না স্বার্থপর

যদি সুখ পাও কাদিয়ে আমায়; ব্যাথা দিয়ে এই মনে- হতে চাও দৃষ্টিগোচর, আমি ভাববো না তোমাকে স্বার্থপর। যদি চলে যাও ছেড়ে সব পিছুটান- যদি বাড়িয়ে দাও আরো ব্যবধান, যদি ভূল বুঝে ভেঙ্গে দাও- আমার স্বপ্নের ঘর, আমি বলবো না তোমাকে স্বার্থপর। যদি দিবানিশি আগুনে পোড়াও- অবুঝ এ মনটা আমার, আমি করবো না কোন বারন- যদি কেড়ে নাও সুখের প্রহর, আমি ভাববো না তোমাকে স্বার্থপর। রচনাকাল: ২১/০৩/২০১০ইং

এমনি করে

এমনি করে যাকনা কেটে- বাকীটা সময় আছে যত, না হয় আমি কাদবো নিরবে- বুকে নিয়ে পাহার সমান ক্ষত। এমনি কর পোড়া চোখে- যাকনা বয়ে নদী, শোকানলে এ জীবন ভরে- আমি না হয় পুরবো নিরবধি। এমনি করে বাকীটা জীবন- যাকনা কেটে একা, না হয় আমি নাইবা পেলাম- সুখের কোন দেখা। রচনাকাল: ১০/০১/২০১০ইং

আশায় থাকি

কেন হয়েছিল দুজনার দেখা- কেন হয়েছিল কথোপকথন, হাটো না কি আর সেই পথে- আগেরই মতো। কেন হয়েছিল দুজনার পরিচয়- কেন হয়েছিল মন বিনিময়, কেন এসেছিল ফাগুন এমনে- হয়ে এতো মধুময়। এখন আর হয়নাতো দেখা- হয়নাতো কথা বলা, প্রতিদিনই আমি আশায় থাকি- যদি হয় তোমার সে পথে চলা।

আমারও তো সাধ হয়

আমারও তো সাধ হয়- হয়ে বৃষ্টির জল, এক পলশায় ভিজিয়ে দিতাম- তোমার শাড়ির আচঁল। আমারও তো ইচ্ছে হয়- দখিনা হাওয়া হয়ে, তোমার চুলে যেতাম মিশে- মৃদু মন্দ বয়ে। আমাও তো মনে লয়- কন্ঠে ধরে সুর, সকাল সন্ধা পাখির মতো- গান শুনাতাম সুমধুর।

হারানো দিনগুলি

সেই কৈশরের সেই স্মৃতিময় দিন- হৃদয়ের মাঝে আছে গাথা অমলিন, কাব্য কথা আর গীতিকায় ভরা- বয়ে চলে মেঘনার স্রোতময় ধারা। তেমনি বয়ে যাই জীবনের খেয়া- সবার সাথে করি ভাবের দেয়া নেয়া, এভাবেই কেটে যায় ছোট এ জীবন- ভবে কেউ পর হয়; কেউ হয় আপন। কেউ দেয় হাসি আর কেউ দেয় ব্যাথা- এ নিয়ে হৃদয়ের নকশী কাথা, কেউ যায় ভূলে সব কেউ রাখে মনে- হারানো দিনগুলো ভাবে মন; জীবনের অবসর ক্ষনে।

কেউ বাসে না ভাল

আমি তো আকাশ দেখিনী- দেখেছি তার নীল, তাহার সাথে আমার - অনেক বড় মিল। আমি তো নদী দেখিনী- দেখেছি তার জল, এই যে দেখ দুটি আখি- অশ্রু টলমল। আমি তো রাত দেখিনী- দেখেছি তার কালো, একটা মানুষ একলা কেন- কেউ বাসে না ভাল। আমি তো চাঁদ দেখিনী- দেখেছি তার আলো, একটা জীবন এমন কেন- কেউ বাসে না ভাল।

কেন দূরে চলে গেলে

আমার স্বপ্নের তাজমহল- তুমি খেলা ভেবে ভেঙ্গে দিলে, আমাকে কষ্ট দিয়ে- জানিনা কি সুখ পেলে। আমার সুখের নদী - পূর্ন হল দুঃখের জলে, কি লাভ হয় গো তোমার- কষ্টের আগুনে আমাকে জ্বেলে। তোমার সকল স্মৃতির মালা- আমাকে সদাই দেয় যে জ্বালা, কেন দূরে চলে গেলে- আমাকে করে অবহেলা।

তোমার ছবি

দুচোখের আলোয় নয়- মনের আলোয় দেখেছি তোমার ছবি, এতো আলো কোথায় পেল মন- যা ছড়াতে পারেনি আজও রবি। ক্যানভাসের রং তুলিতে নয়- নয়তো কোন শিল্পির হাতে আকাঁ, কে আকলো এতো নিখুঁত ছবি- যা যতন করে এই মনেতে রাঁখা। কাঠ পাথরে খোদাই করা নয়- নয় তো কোন ভাস্করের গড়া, এ মনের অনিকেতন প্রান্তরে- তোমার ছবি আছে খোদাই করা।

মনে পড়ে কি

মনে পড়ে কি বন্ধু তোমার- ফেলে আসা ছেলেবেলা, দিন কাটতো হাসি খুশি মাঝে- করে হৈ-চৈ আর খেলা। কত রাত মোরা বসেছি দুজনে- নিরব মেঘনার কূলে, গল্প কথায় ফুরাতো রাত; ঘুমোতে যেতাম না ভুলে। কোথায় হারালো সেই শৈশব- ফেলে আসা স্মৃতিকথা, মনে পরতেই কান্না আসে- বুকে লাগে ব্যাথা।

নিদ্রাহারা

তুমি যে আমারে রেখেছ বেধে- জড়ায়ে দুঃখের রাখি, শূন্য খাচায় রেখেছ ভরে আমার পরান পাখি। তুমি যে আমার নিয়েছ কেড়ে- যত ছিল অনুরাগ, সুখের হাসি করেছ হরন- নাও নি দুখের ভাগ। তুমি যে দিলে দুটি চোখে- শ্রাবনের জল ধারা, সুখের স্বপন লুটোপুটি করে- করেছ নিদ্রাহারা।

নেই কোন অভিযোগ

অনন্তকাল আমি শুধু তোমাকেই ভালবেসে চেয়েছি কাছে, যুগে যুগে হৃদয়ের কোনে গেছি স্বপনের জাল বুনে। বার বার কাছে ডেকেছি- হৃদয়ে তব ছবি একেছি, করেছি কত শত অনুরোধ তবুও আজ নেই কোন অভিযোগ, ভালবাস নি বলে- দেখনি চেয়ে না পেয়ে তোমায় ভেসেছি চোখের জলে।

পরান পাখি

চীরচেনা আপনজন অচেনা হয়ে যায় শুধুই স্বার্থের প্রয়োজনে, মনের মানুষ সদা তত্‍পর মন ভাঙ্গার আয়োজনে। যেছিল খেলার সাথি মন নিয়ে খেলে সে খেলা, নিমিষেই কাটলো আমার প্রহর করে নিদারুন অবহেলা। সঙ্গি করে যাকে চেয়িছি কাছে ব্যাথা দিয়ে সে সুখে আছে, বলো আমি কেমন থাকি, জানলো না সে আমার পরান পাখি।

প্রেমের এমন ছল

যার মুখেতে এতো হাসির ঢল - যায় ছড়িয়ে মায়ারই আচল, করতে পারে সে কেমনে - প্রেমের এমন ছল। যে শিখালো ছন্দ আমায়- এতো মধুর গান, সে কেমনে করতে পারে - এমন অভিমান। যার চোখেতে মায়ারই কাজল - করতে পারে সে কেমনে, প্রেমের এমন ছল। যে দেখালো হাসি ভরা মুখ- পুষ্প ভরা বাগ, সে কেমনে এই পরানে - আকে বিষের দাগ। যে দিল এই দুটি চোখে- অথৈ শ্রাবন জল- করতে পারে সে কেমনে, প্রেমের এমন ছল। রচনাকাল: ১০/০১/২০০৯ইং

কার কারনে

একটা জীবন নিঃস্ব কেন আগোছালো এলোমেলো, সে কাহিনী কেউ জানেনা কার কারনে এমন হল। একটা হৃদয় কোন আগুনে নিত্য এমন জ্বলে পোড়ে, কিসের টানে একটা পরান গুমরে মরে আধার ঘরে। একটা মানুষ প্রতিরাতে নিদ্রাহারা কি বিহনে, নেশার ঘোরে মাতাল হয়ে থাকে সদা অচেতনে।

মহাসাম্যের গান

মহাকালের ডাক এসেছে শুনি আমি পেতে কান, মা গো আমায় শুনাস নে আর ঘুম পাড়ানোর গান। মসজিদ হতে ঐ শুনা যায় মধুর সুরে আজান, ঘুমিয়ে থেকনা জাগো জাগো সব মুমিন মুসলমান। কল্যানের পথে থেকনা পিছিয়ে হও সবে আগুয়ান, বিবেধ ভুলে গাও সকলে মহাসাম্যের গান।

বেগানা পুরুষ

তোমার কথা ভাবতে আমার মানা, হাটা আমার নিষেধ যেথায় তোমারই সীমানা, চলতে আমার মানা তোমার চলার পথে, চোখাচুখি হওয়া নিষেধ ভবিষ্যতে। তোমার সাথে বন্ধ কথা হল সমন জারী, আমি যে বেগানা পুরুষ তুমি পর নারী।

বেকার ছেলে

আমি যে এক বেকার ছেলে ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলে, তোমার মত রাজদুলালীর মন করেছি জয়, কখন তুমি হারিয়ে যাও মনে লাগে ভয়। যারা অনেক সুখ বিলাসী টাকা আছে রাশিরাশি, তোমার নজর তাদের দিকে বদলাতে চাও ভাগ্যটিকে, বেকার ছেলে বলে আমার এইটুকু সংশয়, কখন তুমি হারিয়ে যাও মনে লাগে ভয়।

যে বেদনা বুকে ধরে

যে বেদনা বুকে ধরে কাদি আমি অগোচরে, সে কথা শুধু জানো তুমি এ বুকটা আমার ধু ধু মরুভূমি। বাহিরটা সবাই দেখে হৃদয়টা দেখেনাতো কেউ, এ মনে আছড়ে পড়ে সাত সাগরের ঢেউ। প্রেমানলে পুড়ে গেছে হৃদয়ের জমি॥ মনুষ্য মুখোশ পড়ে অন্তরালে কষ্ট রাখি চেপে, দুঃখটাকে যায় কি দেখা, যায় কি বুঝা ওজন দিয়ে মেপে। বুঝেনাতো কেউ কখনো কি সুখে বেচে আছি আমি॥

ও আমার ভালবাসা

তোমাকে দেখলে কেপে উঠে অন্তর হারিয়ে ফেলি মুখেরী ভাষা, কেন তুমি এতো সুন্দর ও আমার ভালবাসা। বলি বলি করে আজও বলা হল না, প্রিয়তমা তোমার নেই তুলনা বুঝনা কেন মোর হৃদয়ের ভাষা, ও আমার ভালবাসা।

নতুন দিনের গান

নতুন দিনে নতুন প্রানে জেগে উঠ নতুন গানে, ভূলেগিয়ে অতীত কথন মুছে ফেল মনের যাতন। নতুন বছর আনুক বয়ে সবার দেহ মনে, নব সুখের প্রশান্ত ঢেউ, ভূবন সর্বজনে।

ব্যবধান

আমার আকাশ ঘন মেঘে ঢাকা জীবনের প্রভাত বেলা, তোমার আকাশে রুদ্রজ্জল আলো ছায়া করে খেলা। আমার পৃথিবীতে গোধুলী সন্ধ্যা প্রভাত তোমার দেশে, তোমার জীবনে স্বপ্ন আসে সুখ পাখির বেশে। আমার পথের নাই কোন দিশা অকূলে ভাসাই তরী, চোখের নাটাইয়ে বাধা আমার দুঃস্বপ্নের ঘুড়ি। তোমার পথ মিশেছে দিগন্তের পথে উড়ে চল সদা নিঃভাবনার রথে, তোমার দিবস কাটে রোজ নব সুখের ব্রতে।

সহজে আপনার লেখা ব্লগটি প্রচার করুন।

Image
ইচ্ছে করলে আপনার ব্লগ সাইটের লেখা খুব সহজে প্রচার করতে পারেন।আপনার ব্লগ পেস্টের শেষে এর HTML মুড এ কোড টুকু দিয়ে দিন social Bookmarking এতে খুব সহজে আপনার সাইটের ভিজিটররা আপনার লেখাটি বুকমার্ক করে রাখতে পারবে এবং যে কেউ গুগল সার্চের মাধ্যমে আপনার লেখাটি খুজে পাবে।

মানব পরী

আকাশ যেমন বুকে ধরে রাখে আসীম নিলাম্বরী, নদীর ঢেউয়ে যেমন করে পাল উড়িয়ে চলে তরী। পাখি যেমন কন্ঠ ভরে শুনায় তাহার সুরের ধারা রাতের আকাশ আলো করে জ্বলে যেমন চন্দ্র তারা। ঝিনুক যেমন বুকের ভিতর যতন করে রাখে নুড়ি, আমার মনের ছোট্র ঘরে বাস করে এক মানব পরী।

তোমার বসন্ত দিনে

তোমার মনে বসন্ত আজ আগমনে ঋতুরাজ, বসন্তদূত গাইছে সেথায় চারিধারে ফুলের সাজ। তোমার চোখে আশার আলো ছড়ায় ভোরের কিরন, হৃদয় ঘাসে জমে সেথায় শিশিরের আচ্ছাদন। নতুন গানে মুখরিত তুমি নতুনের পরশনে, আনন্দেরই ঢেউ খেলে যায় তোমার দেহমনে।

প্রথম প্রেম

আমার প্রথম প্রেম বালুচরে ধুলোর সাথে মিশে যায় যে উড়ে, দখিনা হাওয়ার উদাস টানে চায়না তো ফিয়ে আর আমার পানে। চরের বালুর বুকে নেই তো জল কি করে তাতে বলো ফলবে ফসল, দিবাকর এলে পরে- মরিচিকা খেলা করে, কেমনে থাকবে তাতে বসত করে আমার প্রথম প্রেম বালুচরে। যদিও নদীর বুকে বালু বাধে ঘর নদীর সাথে তার হয় কি বাসর, কেউ পোড়ে সমতলে আর কেউ ভাসে জলে, উড়ে দখিনা হাওয়ার কবলে পড়ে, আমার প্রথম প্রেম বালুচরে।

দুঃস্বপ্নের রাত

আমার দুঃস্বপ্নের রাত্রিগুলো তোমার দেয়া দান, সুখের স্বপন দাওনি বলে মনে নেইতো অভিমান আমার নিদ্রাহীন দুচোঁখ মাঝে নিরাশার খেয়া দিয়ে, দুঃস্বপ্নের দেশে আমায় যাও যে তুমি নিয়ে। আমার ক্লান্তি ভরা রাত্রি মাঝে দাওযে স্মৃতিচারন, ঘুম নামক সুখ পাখিটি আমার কাছে আসতে করো বারণ: তুমি দিয়ে স্মৃতিচারন।

কিশোর হৃদয়ে প্রেম

যখনি একটি কিশোর হৃদয়ে বুনলে প্রেমের বীজ, একাকিত্বের অবসান ঘটিয়ে আমায় করলে নিজ। যখন একটি কাঁচা মনে দিলে প্রেমের দোলা, পথহারা এক পথিকেরে করলে পথভোলা। যখন এক দেউলিয়াকে হৃদয়ে দিলে আবাসন, শত স্বজনের মাঝে তুমি হলে আমার প্রিয়জন। যখন তুমি একটু সুখে আমায় করে পর, চলে গেলে অনেক দূরে ভেঙ্গে দিয়ে অন্তর।

তোমারে বেসেছি ভাল

তুমি যদি মোর হৃদয় কাননে হওগো কোন ফুল, সুরভিত সুবাসে হৃদয় হাওয়া দাও করে অকূল। কি দোষ হয়গো তবে পাখি হয়ে যদি হৃদয় কুঞ্জ ভরে দাও কলোরবে। আমি দেবনা কোন বাধা কৃষ্ণ হতে চাইবো শুধু তুমি যদি হও রাধা। তুমি যদি হও দূর আকাশের চাঁদ, বামন হয়ে তোমার পানে বাড়াবো দুটি হাত। নাইবা বাসলে ভাল আমায় নাইবা দিলে আলো, মনেরেখ কোন একদিন তোমারে বেসেছিলাম ভাল।

অপরুপ সৃষ্টি

তটিনীর মতো তোমার তনু হাসিতে তোমার লুকায় ভানু, বিহঙ্গের সুর তোমার বানীতে অলকে ঘন মেঘ। প্রকৃতির ছাপ তোমার তোমার বদনে আধরে অমৃতের হাসি, কোমল হাতের পরশ পেতে মন যে অভিলাষী। কৃষ্ণ কালো নয়নে তোমার হৃদয় হরনী দৃষ্টি, লজ্জাবতী ললনা তুমি বিধাতার অপরুপ সৃষ্টি।

আমার মেঠো গ্রাম

মেঘনা নদীর কূলে ঘেষা আমার মেঠো গ্রাম, নানান শোভায় শোভাময়ী তার কাচারী কান্দি নাম। সবুজ শ্যামল রুপটি যে তার ফুলে ফলে ভরপুর, বাংলাদেশের বুকে যেন খোদার সৃষ্ট নূর। তপ্ত দেহ জুড়ায় এখানে গাছ গাছালীর ছায়ায়, দখিনা বাতাসে উদাস করে আবেগ জড়ানো মায়ায়। কল কাকলীর কলরবে সেথায় ভোর আসে হেসে হেসে, স্বগর্বে যেন বাচতে পারি এই গ্রামটাকে ভালবেসে।

থাকবো শুধু অপেক্ষায়

যদি ডানা মেলে উড়ে যাও নতুন কোন ভূবনে, আমি শিকল দেবনা তোমার রাঙ্গা দুটি পায়, ভালবেসে সারাটি জীবন-থাকবো শুধু অপেক্ষায়।

নিজেকে লুকানো

নিঃসঙ্গ চাঁদ রাতভর একা ছড়ায় জোছনার ধারা, ব্যস্ত নগরী নিরব যখন চারিধারে ঘুমের পাড়া। দূর আকাশে জাগে চাঁদ আমি জাগি নগরীর প্রান্তে, একটা মানুষ একলা কেন চেয়েছ কি কখনো জানতে। জড়িয়ে কোন মায়ার আবেশ নিরবে পথ চেয়ে থাকা, বলতে না পারার ব্যর্থতা নিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখা।

নষ্ট

নষ্ট ছবি বাধাই করা আমার কারুফ্রেম, নষ্ট নারীর স্বপ্ন ভরা আমার নষ্ট প্রেম। নষ্ট আমি ভ্রষ্ট আমি নষ্ট আমার মন, নষ্ট ব্রতে চলি আমি নষ্ট আমার পণ। কষ্ট আমায় নষ্ট করে প্রতি দিনে রাতে, এ জীবনটা বাধা আছে নষ্ট কুপোকাতে।

চোঁখ

যার চোঁখে শ্রাবনের মেঘেরা কোনদিন ফেলেনি তো ছায়া, জ্যৈষ্ঠের প্রখর খড়তাপের লাগেনি কোন দহন, ঝড়েনি তো অশ্রু বৃষ্টি পড়েনি তো অশুভ দৃষ্টি, দেখেনি যে চোখে কোন পাপ দেয়নি কাউকে অ...

সুখের ঠিকানা

যদি চাও কাছে আসতে কোন এক মায়াবী রাতে,  যদি চাও ভালবাসতে কোন এক ফাগুন প্রাতে, আমি দেবনা কোন বাধা করবো না কোন মানা, শুধু তোমার মাঝে খুজে নেবো  আমার সুখের ঠিকানা।